বুধবার, ২৪ Jun ২০২৬, ০১:০৪ অপরাহ্ন
জানিতা আহমেদ ঝিলিক- গানের ভুবনে ঝিলিক নামেই পরিচিত। ২০০৮ সালের ‘চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ’খ্যাত এ শিল্পী নতুন প্রজন্মের কাছে অল্প সময়েই অন্যতম শিল্পী হয়ে উঠেছেন।
ঈদ-পরবর্তী কেমন ব্যস্ততা যাচ্ছে আপনার?
এখন ব্যস্ততা তুলনামূলকভাবে কম। কারণ এখন তো তেমন একটা স্টেজ শো হচ্ছে না। একদিকে যেমন বর্ষা, অন্যদিকে গরম। এ কারণে এখন আউটডোরে ব্যস্ততা বলতে গেলে নেইই। তবে এর মধ্যে আমার এবং শওকত আলী ইমনের করা একটি মিউজিক ভিডিও করা হয়েছে। এটা সামনে শিগগিরই প্রকাশ পাবে।
বাংলাদেশ বেতারে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। সেখানে কেমন গান করছেন? আমি এখন নিয়মিত বাংলাদেশ বেতারে গান করছি। রেগুলার বেসিসেই কাজ করছি। আমার খুবই ভালো লাগে বেতারে গান করতে। এছাড়া বিটিভিতেও নিয়মিত গান করছি। সরকারি কাজগুলো তো একটু অন্যরকম তাই সেখানে গান গাওয়ার ক্ষেত্রে একটা স্বাচ্ছন্দ্যও কাজ করে। বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেলেও গান করছি।
নিজস্ব ইউটিউবে নিজের গান কেমন প্রকাশ করেন? আমার একটা নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল আছে ঠিক তবে এখানে আমি আমার গান খুব একটা প্রকাশ করছি না। কারণ, আমি অনেকগুলো ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে যুক্ত। সেখানেই আমার গান প্রকাশ করা হয়ে থাকে। তবে আমার নিজস্ব চ্যানেলেও পরে নিজের গান নিয়মিত প্রকাশ করব।
নতুন সময়ের অনেকে প্লে-ব্যাক করছেন- আপনার নেই কেন? সিনেমা হচ্ছে এমন একটি ব্যাপার যেটা চাইলেও কেউ নিজে প্লে-ব্যাক করতে পারবেন না। যারা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রযোজক, পরিচালক, সঙ্গীত পরিচালক- তাদেরই দায়িত্ব কাকে দিয়ে গান করাবেন। এছাড়া আর আমাদের কোনো পথ নেই। এখন আমাকে প্লে-ব্যাকের জন্য তো ডাকতে হবে। না ডাকলে তো আমি সেখানে প্লে-ব্যাক করতে পারব না। আসলেই এই মাধ্যমটি এমন একটি মাধ্যম যেখানে একটা গ্রুপিং চলে। যাকে সিন্ডিকেট বলা যেতে পারে। যারা ঐ সিন্ডিকেটের বৃত্তে থাকেন তাদেরই ডাকা হয়। সেটার কারণে এখানে একটা সীমাবদ্ধতা কাজ করে।
সর্বশেষ কবে প্লে-ব্যাক করেছেন? আমি সর্বশেষ এক বছর আগে একটা সিনেমার জন্য ভয়েস দিয়েছিলাম। এরপর আমার নতুন কোনো সিনেমায় ভয়েস দেওয়া হয়নি। কেউ আমাকে ডাকেওনি।
এখন গানের কম্পোজার, সুরকাররা কেমন করছেন? সবাই সবার মতোই কাজ করছে। সবাই ভালো কাজ করছে। তবে একেকজনের ক্ষেত্রে একেকরকম আউটপুট আসে। আগে যারা সুরকার ছিলেন তারা যেমন একটা সময়ে খুব বিখ্যাত হন এখনকার সুরকারদের মধ্য থেকেও এক সময় তেমন হবে। তবে এখনকার গান কতদিন স্থায়ী হবে সেটা যেমন দশ বছর পর বোঝা যাবে তেমনি তার সুরকার হিসেবে কারা কেমন করলেন সেটার মূল্যায়নও তেমন দশ বছর পর বোঝা যাবে।
গানের ইনস্টিটিউট করবেন বলেছিলেন!
সে রকম একটা কিছু করার ইচ্ছা আছে। তবে সেটার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। কারণ, যদি সেটা করি তবে বড় পরিসরের মধ্যেই করতে চাই। স্বপ্ন তো সবাই দেখতে পছন্দ করে। আমিও একটা স্বপ্ন দেখি। তবে একা কারও পক্ষে বড় কোনো কিছু করা সম্ভব হয় না। সেটা কতটুকু কী হবে জানি না, তবে ইচ্ছে আছে সেটা করার।